MSc in the UK for Bangladeshi Students: Cyber Security, Data Science and AI Compared
Entry requirements, universities, tuition, living costs, scholarships, careers and the Graduate visa.
দেশ বাছাই থেকে ভিসা পর্যন্ত, বিদেশে পড়তে যাওয়ার আগে যা না জানলে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হতে পারে। সহজ ভাষায়, চেকলিস্ট আর স্কোর কনভার্টারসহ।

বিদেশে পড়তে চাইলে ভর্তির অন্তত ১০–১২ মাস আগে প্রস্তুতি শুরু করুন। আগে ঠিক করুন কী পড়বেন ও কেন, তারপর বাজেট আর রেজাল্ট মিলিয়ে ২–৩টি দেশ বাছাই করুন। বিশ্ববিদ্যালয় যে ইংরেজি টেস্ট নেয় (IELTS, PTE, Duolingo বা TOEFL) সেটিতে প্রয়োজনীয় স্কোর তুলুন, SOP, সুপারিশপত্রসহ কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন, আর টিউশন, থাকা-খাওয়া, ভিসা ও ব্যাংক ব্যালান্স মিলিয়ে পুরো খরচের হিসাব করুন। সময়মতো স্কলারশিপের আবেদন করুন এবং ভিসার নিয়ম দেশ অনুযায়ী আলাদা, তাই আগে থেকে জেনে নিন।
বিদেশে পড়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী শুরু করেন শেষ মুহূর্তে। তখন টেস্টের তারিখ পাওয়া যায় না, আবেদনের শেষ সময় পেরিয়ে যায়, আর ব্যাংক ব্যালান্স জোগাড় করতে গিয়ে চাপ বাড়ে।
প্রতি বছর হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাচ্ছেন। প্রতিযোগিতা বাড়ছে, তাই যিনি আগে পরিকল্পনা করেন, তিনিই ভালো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কলারশিপ আর সময়মতো ভিসা পান। ভালো খবর হলো, পুরো প্রক্রিয়াটা কয়েকটি পরিষ্কার ধাপে ভাগ করা যায়।
“বন্ধুরা যাচ্ছে, তাই আমিও যাব” এই ভাবনা থেকে শুরু করলে পরে দেশ, কোর্স আর খরচ নিয়ে বারবার মত বদলাতে হয়। তার চেয়ে নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করুন:
র্যাংকিং দেখা দরকার, কিন্তু শুধু র্যাংকিং দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কোর্সের বিষয়বস্তু, মোট খরচ, শহরের জীবনযাত্রার ব্যয়, পড়ার সময় ও পরে কাজের সুযোগ, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি একসাথে মিলিয়ে দেখুন।

নিচে কয়েকটি জনপ্রিয় গন্তব্যের সংক্ষিপ্ত তুলনা দেওয়া হলো। দেশের নামে চাপ দিয়ে দেখুন:
টিউশনের পরিসর আনুমানিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স অনুযায়ী বদলায়।
ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে হলে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণ চায়। সবচেয়ে প্রচলিত চারটি টেস্ট হলো IELTS, PTE Academic, Duolingo English Test আর TOEFL iBT। প্রতিটিতেই রিডিং, রাইটিং, লিসেনিং ও স্পিকিং যাচাই করা হয়।

| টেস্ট | স্কোর | কোথায় দেবেন | কাদের জন্য ভালো |
|---|---|---|---|
| IELTS Academic | ১–৯ ব্যান্ড | ব্রিটিশ কাউন্সিল বা IDP-র কেন্দ্রে | যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, মালয়েশিয়াসহ প্রায় সব দেশ |
| PTE Academic | ১০–৯০ | Pearson-এর কেন্দ্রে, কম্পিউটারে | দ্রুত ফল চাইলে; বহু দেশে গ্রহণযোগ্য |
| Duolingo English Test | ১০–১৬০ | বাসা থেকে অনলাইনে, প্রায় ১ ঘণ্টা | যুক্তরাষ্ট্রসহ যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এটি নেয় |
| TOEFL iBT | ০–১২০ (২০২৬ থেকে ১–৬ স্কেলেও) | ETS-এর অনুমোদিত কেন্দ্রে | যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় |
সব টেস্টের ফল সাধারণত ২ বছর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। তাই খুব আগে পরীক্ষা দিলে আবেদনের সময় মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে।
ধরুন আপনার PTE স্কোর আছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় IELTS-এ শর্ত লিখেছে। নিচে টেস্ট বেছে স্কোর দিন, সাথে সাথে বাকি তিনটি টেস্টের সমান স্কোর দেখতে পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাচেলর ভর্তিতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় চায়। স্কোর ১৬০০-এর মধ্যে, ঢাকায় পরীক্ষা দেওয়া যায়।
মাস্টার্স ও পিএইচডিতে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে। স্কোর ৫ বছর বৈধ।
এমবিএ ও বিজনেস মাস্টার্সে চাওয়া হয়। স্কোর ৫ বছর বৈধ।
জার্মান ভাষার কোর্সে TestDaF বা DSH, কোরিয়ায় TOPIK, জাপানে JLPT লাগতে পারে।
আবেদন আর ভিসা দুটোতেই কাগজপত্র সবচেয়ে বেশি সময় নেয়। নিচের তালিকায় যা যা তৈরি আছে টিক দিন। আপনার অগ্রগতি এই ব্রাউজারে সেভ থাকবে।
SOP-এ লিখুন কেন এই বিষয় পড়তে চান, আগ্রহটা কীভাবে তৈরি হলো, আগের পড়াশোনা আর অভিজ্ঞতা আপনাকে কীভাবে প্রস্তুত করেছে, আর ভবিষ্যতে কী করতে চান। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য SOP আলাদা করে সাজান। একই লেখা সবখানে পাঠালে সেটা সহজেই ধরা পড়ে।
সুপারিশপত্র নিন এমন শিক্ষক বা কর্মকর্তার কাছ থেকে, যিনি আপনার কাজ কাছ থেকে দেখেছেন এবং নির্দিষ্ট উদাহরণ দিয়ে লিখতে পারবেন। কতটি চিঠি লাগবে আর কীভাবে জমা দিতে হবে, তা আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা থেকে জেনে নিন।
অনেকে শুধু টিউশন ফি দেখে বাজেট করেন, পরে বাকি খরচ দেখে চমকে যান। প্রথম বছরের হিসাবে এগুলো রাখুন:

| খরচের খাত | কখন দিতে হয় | খেয়াল রাখুন |
|---|---|---|
| আবেদন ফি | আবেদনের সময় | অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি নেই, কিছুতে আছে |
| ইংরেজি টেস্ট ফি | পরীক্ষার আগে | আবার দিতে হলে খরচ দ্বিগুণ হয়, তাই প্রস্তুতি নিয়ে দিন |
| টিউশন ডিপোজিট | অফার পাওয়ার পর, ভিসার আগে | ফেরতযোগ্য কি না লিখিতভাবে জেনে নিন |
| ভিসা ফি ও স্বাস্থ্য খরচ | ভিসা আবেদনের সময় | যুক্তরাজ্যে আলাদা হেলথ সারচার্জ দিতে হয় |
| ব্যাংক ব্যালান্স | ভিসার আগে নির্দিষ্ট সময় ধরে | টাকাটা খরচ নয়, তবে নির্দিষ্ট দিন অ্যাকাউন্টে রাখতে হয় |
| বিমান টিকিট | ভিসা পাওয়ার পর | আগে কাটলে সস্তা পড়ে; লাগেজের নিয়ম দেখে নিন |
| থাকা-খাওয়া | প্রতি মাসে | প্রথম মাসের ভাড়া ও সিকিউরিটি ডিপোজিট আগে লাগে |
সাধারণত না। বেশিরভাগ দেশে পড়ার সময় সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টাই কাজ করা যায়, প্রায়ই ২০ ঘণ্টার মতো। এতে থাকা-খাওয়ার কিছু খরচ চলে, কিন্তু টিউশন বা ভিসার টাকা এখান থেকে আসবে ধরে পরিকল্পনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। বেশি কাজ করলে পড়াশোনার চাপও বাড়ে।
দুই ধরনের স্কলারশিপ আছে। একটা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজে, সাধারণত ভালো রেজাল্টের জন্য টিউশনে ছাড়। আরেকটা দেয় সরকার বা বড় প্রতিষ্ঠান, যেগুলোতে অনেক সময় পুরো খরচ পাওয়া যায়, তবে প্রতিযোগিতা বেশি।
| স্কলারশিপ | দেশ | যে লেভেলে |
|---|---|---|
| Chevening | যুক্তরাজ্য | মাস্টার্স |
| Fulbright | যুক্তরাষ্ট্র | মাস্টার্স, পিএইচডি |
| Global Korea Scholarship (GKS) | দক্ষিণ কোরিয়া | ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি |
| Stipendium Hungaricum | হাঙ্গেরি | ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি |
| Swedish Institute (SISGP) | সুইডেন | মাস্টার্স |
| Erasmus Mundus | ইউরোপের একাধিক দেশ | মাস্টার্স |
| DAAD | জার্মানি | মাস্টার্স, পিএইচডি |
কলামের নামে চাপ দিয়ে সাজাতে পারেন। শর্ত ও সময়সীমা প্রতি বছর বদলায়, তাই আবেদনের আগে অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে মিলিয়ে নিন।
প্রতিটি দেশের নিয়ম আলাদা, তবে মূল ধাপগুলো প্রায় একই রকম। যে ধাপ শেষ করেছেন, তাতে চাপ দিয়ে চিহ্ন দিন:

থাকার জায়গা দেশে থাকতেই ঠিক করে যাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণত তিন ধরনের বিকল্প থাকে:
ক্যাম্পাসের কাছে, নিরাপদ, প্রথম বছরের জন্য সবচেয়ে সহজ। রান্নাঘর বা বাথরুম শেয়ার করতে হতে পারে।
স্থানীয় পরিবার বা অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে থাকা। খরচ কম, ভাষা শেখাও সহজ হয়।
স্বাধীনতা বেশি, খরচও বেশি। কয়েকজন মিলে নিলে খরচ ভাগ হয়।
প্রথম কয়েক সপ্তাহ একটু একা লাগতে পারে, খাবার আর আবহাওয়াও আলাদা হবে। এটাকে বলে কালচারাল শক, প্রায় সবারই হয়। নিয়মিত পরিবারের সাথে কথা বলুন, নতুন বন্ধু বানান, আর সমস্যা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট সাপোর্ট অফিসে যান।
| ভুল | কী হয় | সমাধান |
|---|---|---|
| শেষ মুহূর্তে শুরু | টেস্টের তারিখ বা আবেদনের সময় পাওয়া যায় না | ১০–১২ মাস আগে পরিকল্পনা শুরু করুন |
| নির্দেশনা না পড়ে আবেদন | অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল হয় | প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা চেকলিস্ট রাখুন |
| একই SOP সবখানে | আবেদন দুর্বল দেখায় | প্রতিটি প্রোগ্রামের জন্য SOP সাজান |
| শুধু টিউশন দেখে বাজেট | ভিসার আগে টাকা কম পড়ে | থাকা, ভিসা, টিকিটসহ পুরো খরচ হিসাব করুন |
| কাগজে তথ্যের অমিল | ভিসা আটকে যায় বা দেরি হয় | নাম ও জন্মতারিখ সব কাগজে মিলিয়ে নিন |
| অস্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি | ডিগ্রির মূল্য থাকে না | সরকারি স্বীকৃতি যাচাই করুন |
ধরুন আপনি আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে ক্লাস শুরু করতে চান। মোটামুটি এভাবে এগোতে পারেন:
দেশ, শহর আর কোর্সের উপর নির্ভর করে। মালয়েশিয়া বা হাঙ্গেরির মতো দেশে প্রথম বছরে তুলনামূলক কম লাগে, যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে বেশি। টিউশনের সাথে থাকা-খাওয়া, ভিসা, স্বাস্থ্যবিমা আর টিকিট যোগ করে পুরো বাজেট করুন।
অনেক ক্ষেত্রে যায়। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় PTE, Duolingo বা TOEFL নেয়, কেউ ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার সনদ (MOI) বা নিজস্ব পরীক্ষা গ্রহণ করে। তবে ভিসার জন্য কোন প্রমাণ লাগবে, তা দেশভেদে আলাদা, তাই আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।
এটা আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করে। কম্পিউটারে টাইপ ও কথা বলায় স্বচ্ছন্দ হলে অনেকে PTE বা Duolingo পছন্দ করেন, কারণ ফল দ্রুত আসে। তবে প্রথমে দেখুন আপনার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় কোন টেস্ট নেয়।
হ্যাঁ, রেজাল্ট আর ইংরেজি স্কোর শর্ত পূরণ করলে অনেক দেশে সরাসরি ভর্তি হওয়া যায়। কোথাও কোথাও আগে এক বছরের ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম করতে হয়।
থাকা-খাওয়ার কিছু খরচ চালানো যায়, পুরো খরচ সাধারণত নয়। পড়ার সময় সাপ্তাহিক কাজের ঘণ্টা সীমিত থাকে, আর টিউশন ও ব্যাংক ব্যালান্স ভিসার আগেই দেখাতে হয়।
ভর্তির অন্তত ১০–১২ মাস আগে। বড় স্কলারশিপ চাইলে আরও আগে, কারণ সেগুলোর আবেদন প্রায় এক বছর আগেই শেষ হয়ে যায়।
দেখুন প্রতিষ্ঠানটি ICEF-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃত কি না, খরচ লিখিতভাবে স্পষ্ট বলে কি না, আর ভিসার “গ্যারান্টি” দেয় কি না। যারা গ্যারান্টি দেয়, তাদের এড়িয়ে চলুন। Global Vision ICEF স্বীকৃত, আর প্রথম কাউন্সেলিং বিনামূল্যে।
তথ্যসূত্র ও সহায়ক পাঠ: শিক্ষার্থীর সংখ্যা ইউনেস্কোর তথ্য, যা বিবিসি বাংলা উদ্ধৃত করেছে; আবেদন ও প্রস্তুতির পরামর্শে প্রথম আলো ও প্রথম আলোর আরেকটি প্রতিবেদন; স্কোর তুলনা Pearson, Duolingo ও ETS-এর অফিশিয়াল টেবিল থেকে; যুক্তরাজ্যের ভিসার অঙ্ক GOV.UK থেকে। শেষ যাচাই: ১৭ অক্টোবর ২০২৬।
বিনামূল্যে, সরাসরি অফিসে বা ফোনে। বাংলায় বা ইংরেজিতে।
Study abroad tipsEntry requirements, universities, tuition, living costs, scholarships, careers and the Graduate visa.
Study abroad tipsCompare Malaysia, the UK, Canada, Australia, the USA and New Zealand after HSC by cost, GPA, IELTS and post-study work.
Country guidesCompare 11 institutions, North vs South Cyprus, fees, IELTS and GPA, the student visa checklist and how to apply for the February intake.